ছোট্ট শিশু তানিয়া। নগরীর ইপিজেড এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়তো সে। গত ১৩ নভেম্বর ধর্ষণের সময় শিশটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ধর্ষক। শুধু তাই নয়, ধর্ষণ ও হত্যার পর লাশ গুম করতে বস্তায় ভরে ফেলে দেয়া হয় পুকুরে।

এ ঘটনায় বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ধর্ষক আমির হোসেনকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ট্রাক চালক আমিরকে নেত্রকোনা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (বন্দর) জয়নাল আবেদীন newssaradin কে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি ধর্ষণের মূল আসামি নেত্রকোনায় অবস্থান করছে। বিশেষ টিম পাঠিয়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে চট্টগ্রাম নিয়ে আসা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারের পর আমির ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তীতে সে জানায়, ধর্ষণের সময় চিৎকার করবে এ আশঙ্কায় সে শিশুটির মুখ চেপে ধরে। এ অবস্থায় একসময় নিথর হয়ে পড়ে শিশু তানিয়ার ছোট্ট দেহ। এভাবে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গুম করার জন্যই বস্তায় ভরে পুকুরে ফেল দেয় সে।

তানিয়ার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় হলেও সে নগরীর ইপিজেড থানার নারিকেল তলা এলাকায় মামার বাসায় থেকে পড়ালেখা করতো।

By

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *