বাসার অন্য বাসিন্দাদের কাছেও নেই কোনো তথ্য। ভুক্তভোগী পরিবারও জানে না কিছু। এমন পরিস্থিতিতে অপরাধীকে ধরতে কোনো ক্লু’ই পাচ্ছিলো না পুলিশ। পরে ডিএমপির ভাড়াটিয়া তথ্য সংগ্রহের ফর্মের তথ্য যাচাই-বাছাই করে মিলে যায় শিশু হাসিনার হত্যাকারী শরিফুল ইসলাম ও ফারজানা লিজার সন্ধান।

রোববার (২৯ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ডিসি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই বাসায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় শরিফুল-ফারজানা। তারা ভাড়াটিয়া হওয়ায় স্থানীয় কেউই ওই দম্পতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দিতে পারছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে আমরা ভাড়াটিয়া তথ্য ফর্মের সূত্র ধরে তার এক নিকট আত্মীয়ের সন্ধান পাই।

newssaradin.com/২৯ ই মে ২০১৬

By

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *