চিনির সঙ্গে ময়দা মিশিয়ে গ্লুকোজ তৈরি করার দায়ে শনির আখড়ার পশ্চিম রায়েরবাগের বাসিন্দা কামাল হোসেনকে একাধিকবার বিভিন্ন সাজা দিয়েছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্তু সাজা শেষ হওয়ার পরও তিনি একই ধরনের কাজ শুরু করেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১১ জুলাই একই অপরাধে তাঁকে নয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুধু কামাল হোসেনই নয়, ভেজাল ও নকল খাদ্য-পানীয় তৈরি ও বাজারজাতকরণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশসহ বিভিন্ন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এমন অনেকেই দণ্ড শেষ হওয়ার পর আবার একই অপরাধ করছেন। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর তাই স্থায়ীভাবে এ অপরাধ বন্ধে ভেজালবিরোধী অভিযানে কয়েকটি উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নামছে র্যাব।
