সাইবারসিকিউরিটি ইনফরমেশন শেয়ারিং অ্যাক্ট (সিআইএসএ) আইনের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছে আমেরিকার অধিকাংশ ইন্টারনেট কম্পানি। ইন্টারনেটের ওপর নজরদারির এক বিলের খসড়া নিয়ে কাজ চলছে। এর বিরুদ্ধেই উঠে-পড়ে লেগেছে তারা। অথচ ফেসবুক নাকি গোপনে এই বিলের সমর্থনে কাজ করে যাচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে বলা হয়।
মার্কিন কংগ্রেসে এ বিলটি পাস একরে একটি আইটি করপোরেশনই কাজ করছে। আর তা হলো বিশ্বেস সবচেয়ে বড় সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ফেসবুক। বিভিন্ন অফিসিয়াল সোর্সের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানায় ফাইট ফর দ্য ফিউচার রাইটস গ্রুপ।
সিআইএসএ সংশ্লিষ্ট নীতিমালা এখনো আইনে পরিণত হয়নি। একে রুখে দিতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা একটি পিটিশন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
আইটি প্রতিষ্ঠানগুলো এক অনলাইন বিবৃতিতে জানান, ফেসবুক এই ‘বিষাক্ত’ বিলটিকে আইনে পরিণত করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এ আইনের মাধ্যমে ফেসবুক অনায়াসেই ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করবে। কিন্তু এবার দেখানো হবে সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা কতটা ক্ষমতাশালী হতে পারেন। কিন্তু ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠান মনে করে, তারা যা চায় তাই বের করে আনতে পারে ওয়াশিংটন থেকে।
তবে সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটগুলোর প্রতিনিধিরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রাইটস গ্রুপের প্রতিবেদনকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছেন তারা। তবে তারা এ বিলের পক্ষে না বিপক্ষে তা স্পষ্ট করেননি।
তবে টুইটার, ইয়েল্প, উইকিমিডিয়া, রেডিট, অ্যাপল এবং ড্রপবক্সের মতো প্রতিষ্ঠান সিআইএসএ-এর বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে।
