সরকারি চাকরির কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের চতুর্থ দিনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের কারণে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানী।
বুধবার সকাল ১০টার পর থেকে তাদের এই বিক্ষোভে নগরীর বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের খবর আসছে ঢাকার বাইরে থেকেও।
সকাল ১০টার দিকে তাঁতীবাজারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে পুরান ঢাকার একটি অংশ- সদরঘাট ও কেরানীগঞ্জ থেকে গুলিস্থানের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেকুল ইসলাম জানান, সকাল ৯টায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আন্দোলন শুরু করতে চাইলে ছাত্রলীগ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
“আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করতে এসেছিলাম। কিন্তু সরকার লালিত ছাত্রলীগের ক্যাডারবাহিনী আমাদের উপর যে হামলা করেছে তার তীব্র নিন্দা জানাই। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার- এই দাবি আশা করি সরকার মেনে নেবে।”
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের জাহানারা সরকার নদী বলেন, “সরকার নারীদের অধিকারের কথা বলে কিন্তু নারী অধিকার নিশ্চিত করতে পারছে না। ছাত্রীদের উপর ছাত্রলীগের এই হামলা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
বেলা ১টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ তাঁতীবাজার মোড়ে এসে আন্দলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতার ঘোষণা দেন।
