২০০৭ বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টিতে বড় কোনো শিরোপা জিততে পারেনি ভারত। এবার নিশ্চয়ই সেই আক্ষেপ ঘোচাতে চাইবে ভারতীয় দল। তবে তার আগে পেরোতে হবে বেশ কটি বাধা। প্রথম বাধা তো আজ বাংলাদেশ, পরের ম্যাচেই আবার প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান। এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়া মানেই তো শ্বাসরুদ্ধকর সব মুহূর্ত, সবুজ মাঠে আগুন-গরম উত্তাপ, কান পাতলেই রণ-দুন্দুভির বাজনা!
২৭ ফেব্রুয়ারি মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আরেকটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে আর দশটা ম্যাচের মতোই দেখছেন কোহলি, ‘তারা শক্তিশালী দল। তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো করতে চাই, যেটা অন্য দলগুলোর বিপক্ষেও করতে চাই। ম্যাচটা দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণই হবে। এটা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে অনেক উন্মাদনা থাকে। তবে অন্য দলের সঙ্গে আমরা যেভাবে খেলি, এখানেও ব্যাপারটা তা-ই থাকে।’
সংবাদ সম্মেলন ছিল মূলত বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ সামনে রেখে। অথচ সেখানে ম্যাচ নিয়ে কথা হলো সামান্যই। যতটুকু বা হলো, তা শুধু বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েই। সেখানেও কোহলির কণ্ঠে শুধুই মুস্তাফিজ-বন্দনা, ‘এই ছেলেটার সামর্থ্য অন্য ধরনের। ওর জন্য ব্যাটসম্যানদের আলাদা করে প্রস্তুতি নিতে হবে, তাঁকে অন্যভাবে সামলাতে হবে। তবেই নিজের খেলার উন্নতি হবে। ওকে বিরাট কৃতিত্ব দেব। নিশ্চিত এই টুর্নামেন্টে সে বাংলাদেশের জন্য বড় ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।’
আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের নেতৃত্ব দেবেন কে? চোটাক্রান্ত ভারতীয় অধিনায়ক ধোনি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না কাল পর্যন্ত। আজ তাঁর চোটের অগ্রগতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।
