মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহাম্মেদ পাভেল, জেলা তরুণ লীগের সভাপতি মৃদুল দেওয়ান, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের ভাতিজা আদর দাস, পলাশ, রিয়াদ, বাদল ও দুলাল।
আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আবদুস সাত্তার। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন সুতা ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা। আবদুস সাত্তার আজ বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগ নেতা পাভেল, তরুণ লীগ নেতা মৃদুলসহ অন্যদের নিয়ে মুক্তারপুরে গোলাম মোস্তফার কিং ফিশার নিটিং কারখানায় যান।
গোলাম মোস্তফা দাবি করেন, ‘ছাত্রলীগ নেতা পাভেল, তরুণ লীগ নেতা মৃদুলসহ অন্য নেতাকর্মীরা কারখানার কার্যালয়ে এসে আমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দেয়। নির্বাচন করব জানালে মৃদুল পিস্তল ধরে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। কয়েকটি গুলিও ছোড়ে। ভাগ্যক্রমে আমি বেঁচে যাই। ওই সময় তারা গণপিটুনির শিকার হয়। পরে তাদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেই।’
তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোলাম মোস্তফার কারখানার কর্মীরা তরুণ লীগ নেতা মৃদুল দেওয়ান, ছাত্রলীগ নেতা ফয়েজ আহাম্মেদ পাভেল, পলাশ ও সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের ভাতিজা আদর দাসকে কারখানার ভেতরে নিয়ে বেধড়ক পেটান। পরে পুলিশ এসে তাঁদের গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা তরুণ লীগের সভাপতি মৃদুল দেওয়ানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
Newssaradin.com/১৩ এপ্রিল ২০১৬
