তিন মাসে তিনটি শিরোপা অকল্পনীয় কাজ করে দেখালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।প্রথমে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ -১৯ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন । একই দিনে প্রমীলা টি -২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও পুরুষদের টি -২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন । স্যামুয়েলস, গেইল , ব্রাথওয়েইট দের দাপটে দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টির বিশ্ব শিরোপা ঘরে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার হয় ১৯ রানের। বেন স্টোকসের করা সে ওভারের প্রথম চার বলেই চারটি ছক্কা হাঁকান ব্রাথওয়েইট। দুই বল বাকি থাকতেই জয় পায় ক্যারিবীয়রা।
মারলন স্যামুয়েলস ৬৬ বলে ৯টি চার আর দুটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ৮৫ রান। ব্রাথওয়েইট ১০ বলে চারটি ছক্কা আর একটি চারের সাহায্যে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন।
২০১০ সালে কেনসিংটন ওভালে বিশ্বকাপের তৃতীয় আসরের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম শিরোপা ঘরে তুলেছিলো ইংল্যান্ড। ঠিক এর পরের আসরে ২০১২ সালে কলম্বোয় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৬ রানের জয় নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজও প্রথম টি-টোয়েন্টি শিরোপার দেখা পায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরের শুরুটা অনেকটা উড়ন্তই করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৬ মার্চ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এই ইংল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে মিশন শুরু করে ক্যারিবীয়রা। পরের দুই ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও জয় পায় স্যামি বাহিনী। তবে ২৭ মার্চ নাগপুরে শেষ দশে নিজেদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ৬ রানে হেরে বসে তারা। তবে, প্রথম তিন ম্যাচে টানা জয়ে সেমিফাইনালে উঠে যায় ২০১২’র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আর সেমিফাইনালে ৩১ মার্চ মুম্বাইয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিরাট কোহলির ব্যাটে উড়তে থাকা স্বাগতিক ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আকাশ থেকে মাটিতে টেনে নামায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ইংলিশদের বিপক্ষে এই ফাইনালের আগে ১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুখামুখি হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যেখানে ৯টিতেই জিতেছিল তারা আর বাকি ৪টিতে জয় পায় ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে চারবারের দেখায় একটিতেও জয় পায়নি ইংল্যান্ড।
newssaradin.com/৪ই এপ্রিল ২০১৬

