ঢাকার সবুজবাগে যে ব্যক্তির স্ত্রী ও সন্তানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তিনি সম্প্রতি শ্যালিকাকে নিয়ে অন্য বাসায় উঠেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মামুন নামের ওই ব্যক্তি এবং তার শ্যালিকা স্বর্ণাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার উত্তরখান এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সবুজবাগ থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস ফকির জানিয়েছেন।
তার আগে সকালে সবুজবাগের আহম্মদবাগের একটি বাসা থেকে মামুনের স্ত্রী সান্ত্বনা আক্তার (২৫) এবং দেড় বছরের মেয়ে মাহফুজার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মায়াকানন পানির পাম্পের পাশের ওই টিনশেড বাসায় সান্ত্বনার লাশ ছিল ঝুলন্ত অবস্থায়; মেয়েটির মৃতদেহ ছিল বিছানায় শোয়ানো।
সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাজিরুর রহমান বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে, সান্ত্বনা তার সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন।”
এই এলাকাতেই মামুনের বাসা থেকে স্ত্রী-সন্তানের লাশ উদ্ধার হয় এই এলাকাতেই মামুনের বাসা থেকে স্ত্রী-সন্তানের লাশ উদ্ধার হয়
মামুন স্থানীয় একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের লাইনম্যান হিসেবে কাজ করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাজিরুর বলেন, “মামুন দুদিন আগে তার শ্যালিকা স্বর্ণাকে নিয়ে পালিয়ে অন্য একটি বাসায় উঠে। স্বর্ণাকে নিয়ে সান্ত্বনার সাথে মামুনের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল।”
ওই দ্বন্দ্ব থেকেই সান্ত্বনা আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের। মামুন ও স্বর্ণা বিয়ে করেছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তাদের কী অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাও তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।
