ফেইসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পাকিস্তানের সন্ত্রাস-বিরোধী আদালত এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। দেশটির একজন সরকারি কৌঁসুলি রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মাবমাননার জন্য কারও মৃত্যুদণ্ড এটিই প্রথম।

 

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া তৈমুর রাজা (৩০) হযরত মুহাম্মদ (সাঃ), তার স্ত্রী এবং সাহাবীদের নিয়ে অবমাননাকর কথাবার্তা বলেন বলে জানান কৌঁসুলি শফিক কুরেশি। তিনি বলেন, “বাহাওয়ালপুর সন্ত্রাসবিরোধী আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে এই প্রথম পাকিস্তানে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল বলেও জানান কুরেশি। মুসলিম অধ্যুষিত পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননা খুব সংবেদনশীল একটি বিষয়। রয়টার্স জানায়, মুসলিমদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের জন্য দেশটিতে বেশ কয়েকজনের বিচার চলছে এবং দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের মৃত্যুদণ্ড হবে।

 

কুরেশি বলেন, বাহাওয়ালপুরের একটি বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে রাজা নিজের ফোনে ধর্মঅবমাননাকর এবং ঘৃণা জনিত মন্তব্য যুক্ত একটি খেলা খেলছিল। “সেখানে উপস্থিত দুর্নীতি-দমন বিভাগের একজন কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তার করেন এবং তার ফোন জব্দ করেন।”

বিচার প্রক্রিয়ায় ফোনে থাকা উপকরণ রাজার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে কাজ করেছে বলেও জানান তিনি। “বাহাওয়ালপুর কারাগারে কড়া নিরপত্তায় রাজার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।”

কুরেশির বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, তৈমুর রাজা পাকিস্তানের সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ।

By

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *