রাজশাহীর নিউমার্কেট এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে মিনি ট্রাকে করে ইলিশ মাছ আসা শুরু করে। সেখানেই পাইকারি দরে ইলিশ কিনে নেন মাছের ঠিকাদার ব্যবসায়ীরা। নিলামে হাঁক ডাকের পরে সর্বোচ্চ দরদাতার হাতে চলে যায় ইলিশের ঝাঁপি। সেখান থেকে আড়ত হয়ে চলে যায় বিভিন্ন খুচরা বাজারে।
খুচরা বিক্রেতা হোসেন আলী বলেন, ‘এ আড়ত থেকেই ইলিশ কিনি। এখন ১ কেজি থেকে ১ কেজি ৩শ’ গ্রামের ইলিশও আসছে। গত বছরও এমন সাইজের মাছ চোখে পড়েনি’।
তিনি বলেন, ‘এবার জাটকা নিধন নিয়ন্ত্রণে থাকায় এটা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বড় আকারের ইলিশ ও প্রচুর সরবরাহ থাকলেও তুলনামূলকভাবে দাম কমেনি বাজারে। দুই হাত ঘুরে পাইকারি আড়ত থেকে খুচরা বাজারে ইলিশ যাওয়ার পর প্রতি কেজি ইলিশ ৫০ টাকা থেকে ১শ’ টাকা বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। আর তিন হাত ঘুরে ক্রেতা সাধারণের ব্যাগে ইলিশ যাওয়ার পর দাম বেশি পড়ছে’।
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের পর শনিবারের খুচরা বাজারে ৩শ’ ৫০ গ্রাম থেকে ৪শ’ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪শ’ টাকা কেজি দামে। আমি পাইকারি কিনেছি ৩শ’ ৫০ টাকা দরে। ৭শ’ থেকে ৯শ’ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৬শ’ টাকা থেকে ৮শ’ টাকা দরে। যা পাইকারি কিনতে হয়েছে ৫শ’ ৫০ টাকা থেকে ৭শ’ টাকা দরে’।
‘আর এক কেজির ওপরের মাছের দাম ৯শ’ থেকে ১ হাজার ২শ’ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। যা পাইকারি কেনা হয়েছে ৮শ’ ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১শ’ ৫০ টাকা দরে’।
মাছের ঠিকাদার, আড়তদার হয়ে খুচরা ব্যবসায়ীদের ডালিতে উঠতে গিয়ে প্রথমে এভাবেই ইলিশের দাম বাড়ছে বলে জানান খুচরা মাছ বিক্রেতা হোসেন আলী।
