সিরিজ চলাকালে প্রায় ১০০ জনের মতো পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন স্টেডিয়ামের বাইরের শৃঙ্খলা রক্ষায়। তাদের সামনে দিয়েই কালোবাজারিরা অনায়াসে টিকিট বিক্রি করে যান। অভিযোগ আছে কতিপয় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও। তাদের আত্মীয়স্বজন কিংবা পরিচিতজনদের জন্য টিকিট প্রয়োজন পড়লে দু-একজন কালোবাজারিকে ধরে টিকিট নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করেন। আর গেটের দায়িত্বে থাকা সদস্যরা বিনা টিকিটে খেলা দেখার সুযোগ করে দেন পরিচিতজনদের।

এমনিতেই মিরপুর স্টেডিয়ামের আসন সংখ্যা চাহিদার তুলনায় নিতান্তই কম। তার ওপর আবার প্রায় অর্ধেক টিকিটই দেওয়া হয় সৌজন্য! এই ধারা থেকে বের হওয়ার উপায় দেখছেন না বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসানও।

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ চলাকালে টিকিট ব্যবস্থাপনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কিছু সংস্থাকে টিকিট দিতে হয়। বোর্ড পরিচালকরা ৩০-৪০টা করে টিকিট নিচ্ছেন, কিনে নিচ্ছেন। এখানের স্টাফদের দিতে হচ্ছে, ক্লাবগুলোতে দিতে হচ্ছে- কাউকে না করতে পারছি না। বিসিবির কাউন্সিলরদের দিতে হচ্ছে। আগে সংসদের সব সদস্যরা পেতেন, এখন সাড়ে তিনশর মধ্যে বড় জোর ৫০-৬০ জন পান, যারা খেলা দেখতে আসেন। আগে সব মন্ত্রণালয়ে যেত, এখন নির্দিষ্ট কয়েকটা মন্ত্রণালয়ে যায়। ঢালাওভাবে কোথাও পাঠানো হয় না। রাজনৈতিক পর্যায়ে তো একেবারেই শূন্যের পর্যায়ে নেমে এসেছে। এটা আরও কমানো যেতে পারে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ, চাহিদা অনেক বেশি। টিকিট নিয়ে সমস্যার সমাধানে ভবিষ্যতে অনলাইনে টিকিট ছাড়বো।’

ভবিষ্যতে অনলাইনে টিকিট বিক্রির আশ্বাস বোর্ড সভাপতি দিলেও চলতি সিরিজেই কোনো টিকিট অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে না।

By

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *