ক্লাব মৌসুম শেষ হয়ে এল বলে। সাফল্য-ব্যর্থতার কাটা-ছেড়ার পাশাপাশি এই সময়টাতে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর সমর্থকদের উত্তেজনার কেন্দ্রে থাকে ক্লাবের পরের মৌসুমের জার্সি। কেমন হলো জার্সি, আগের বারের চেয়ে খারাপ না ভালো, কোন নির্দিষ্ট দিকটা ভালো…কত আলোচনা!
ইউরোপে এটা রীতি, মৌসুমের শেষ ‘হোম’ ম্যাচে ক্লাবগুলো পরের মৌসুমের জার্সি পরে খেলে। এই ম্যাচটা নিয়ে তাই সমর্থকদের আগ্রহও থাকে অনেক বেশি। কিন্তু স্প্যানিশ ফুটবলের তৃতীয় বিভাগের দল সিডি পালেনসিয়ার সমর্থকেরা হয়তো এখন চোখ বন্ধ করে প্রার্থনা করছেন, ‘যা দেখেছি তা যেন স্রেফ একটা দুঃস্বপ্ন হয়। এটা যেন সত্যি না হয়।’ প্রার্থনা করারই কথা, ক্লাবের নতুন জার্সিটা যে এরই মধ্যে পেয়ে গেছে ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য জার্সির ‘স্বীকৃতি’।প্যালেনসিয়ার এই জার্সির বর্ণনা দেওয়া দুঃসাধ্য। ছবি: টুইটার।
স্প্যানিশ তৃতীয় বিভাগ তেরসেরা থেকে দ্বিতীয় বিভাগে উঠে আসার প্লে-অফে খেলবে পালেনসিয়া।

‘মরণ-বাঁচন’ লড়াই, যার পুরস্কারও অনেক গৌরবের। এই লক্ষ্য অর্জনে খেলোয়াড়দের প্রেরণা দিতেই নতুন এই জার্সি তৈরি করা হয়েছে। খেলোয়াড়েরা যাতে তাঁদের শরীরের ভেতরের সব জেদ, সব শক্তি মাঠে ঢেলে দিতে পারেন সেটি মাথায় রেখেই নাকি জার্সির ডিজাইনেই রাখা হয়েছে পেটানো একটা শরীরের প্রতিচ্ছবি। ভাবুন তো, খেলোয়াড়েরা বল পায়ে দৌড়াচ্ছেন, অথচ দূর থেকে দেখে মনে হবে পরনে কিছু নেই। আদুল গায়ের এগারো কুস্তিগিরকে মাঠে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যাদের শরীরের পেশি সব ফুলে আছে!
সমর্থকেরা তো দুঃস্বপ্ন ভাবছেনই, জার্সিটা দেখার পর থেকেই টুইটারেও এ নিয়ে মজা করছেন অনেকে। ইংলিশ ক্লাব ক্রিস্টাল প্যালেসের এক সমর্থক টুইট করেছেন, ‘জার্সিটা দেখার পর আমার অনুভূতি…বেঁচে গেলাম, ভাগ্যিস এই জার্সি আমাদের ক্লাবের নয়!’ আর ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট কটঅফসাইড টুইট করেছে, ‘সবচেয়ে জঘন্যতম জার্সির পুরস্কার যাচ্ছে…সিডি প্যালেনসিয়ার হাতে!’
প্যালেনসিয়ার একটাই আশা, প্লে-অফে জিতে দল দ্বিতীয় বিভাগে উঠলে যেন এই জার্সি আবার না করা হয়! সূত্র: টুইটার, গোলডটকম।

By

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *