চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগের দুই পক্ষ। এতে পুলিশসহ দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও শাহ আমানত আবাসিক হলের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু (সিক্সটি নাইন) এবং সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বীর (বিজয়) পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ছাত্রলীগের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হন হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসমাইল। তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের লাঠিপেটায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, সকালে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ভর্তিপরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষে তাঁদের মিছিল নিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পরিকল্পনা করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষ। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ গিয়ে ধাওয়া দিয়ে সভাপতি পক্ষের নেতা-কর্মীদের শাহজালাল হলে ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতা-কর্মীদের শাহ আমানত হলে ঢুকিয়ে দেয়। এ সময় হলের ভেতর থেকে এক পক্ষ আরেক পক্ষকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পুলিশকে লক্ষ করেও তাঁরা ইটপাটকেল ছোড়ে। এ সময় কয়েকজন পুলিশ আহত হন। পরে পুলিশ ভেতরে ঢুকে দুই পক্ষকে লাঠিপেটা করে। এতে কয়েকজন আহত হন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন অ্যান্ড ফিশারিজের ভর্তিপরীক্ষা রয়েছে। ফলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা আতঙ্কে রয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন দুপুর দুইটার দিকে বলেন, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত।
