২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হওয়া হিসাব বছরে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডরদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার প্রস্তাব করে। প্রস্তাবটিতে কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা সম্মতি প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের নগদ ও বোনাস লভ্যাংশ বিতরণ করেছে। লভ্যাংশ বিতরণের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জকে নিশ্চিত করায় কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।
২০১৫ সালে তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানি হিসেবে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
প্রসঙ্গত, কোনো কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সময় ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়। এরপর কোম্পানিটির হিসাব বছর শেষ হলে ১০ শতাংশ বা তার বেশি লভ্যাংশ ঘোষণা করে তাহলে পরবর্তী হিসাব বছরের জন্য ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়। যদি ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় তাহলে ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়। আর যদি কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা না করে তাহলে ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত হয়।
এদিকে ক্যাটাগরি পরিবর্তন করায় তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন লোন সুবিধা না দেওয়ার জন্য মার্চেন্ট ব্যাংক ও বোকারেজ হাউসগুলোকে কোম্পানির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গত ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নতুন কোম্পানির লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ কার্যদিবস এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্যাটাগরির পরিবর্তন হলে পরিবর্তিত ক্যাটাগরিতে লেনদেন শুরুর প্রথম ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ে মার্জিন লোন সুবিধার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
